SOP - 1, সাইজ সেট এবং প্রি-প্রোডাকশন মিটিং – Size-Set & P.P Meeting, SOP - 2 (ডমেস্টিক/স্রিঙ্ক্যাজ টেস্ট - Domestic/Shrinkage Test),SOP- 3 (পাইলট টেস্ট রান – Pilot Test-Run)
SOP - 1
(সাইজ সেট এবং প্রি-প্রোডাকশন মিটিং – Size-Set & P.P Meeting)
উদ্দেশ্য ও সুবিধাঃ
ফ্যাক্টরির উৎপাদিত পণ্যের গুনগত মান অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে সকল স্টাইল বাল্ক প্রোডাকশনে দেওয়ার আগে পণ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত প্রত্যেকটি সেকশনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নিয়ে উৎপাদন কালীন সময়ে পণ্যের কোয়ালিটি ও ম্যাজারম্যান্ট ঠিক রাখার জন্য প্রি-প্রোডাকশন মিটিং এর সময় সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি নির্ধারন করেছে যা উৎপাদন বৃদ্ধি ও উৎপাদিত পণ্যের গুনগত মান নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
দায়বদ্ধতাঃ
এই প্রসিডিউর বাস্তবায়ন ও বজায় রাখার জন্য দায়বদ্ধ থাকবেন যথাক্রমেঃ কিউ.সি, এ.পি.এম, কোয়ালিটি ইনচার্জ, কিউ.এ.ই, পি.এম এবং ও.পি.এম।
কার্যপ্রনালীঃ
১. পি.পি. মিটিং সেই ফ্যাক্টরিতে করতে হবে যেখানে সেই স্টাইলের/গার্মেন্টস এর প্রোডাকশন শুরু হবে।
২. পি.পি মিটিং-এর জন্য প্রোডাকশন টিম সাইজ-সেট তৈরি করবে এবং কোয়ালিটি টিম ফলোও-আপ করবে।
৩. সাইজ সেট রেডি হওয়ার পর ফ্লোর কোয়ালিটি টিম চেক করে রিপোর্ট সহ (বায়ার ও স্টাইলের) দায়িত্ব প্রাপ্ত কোয়ালিটি এক্সিকিউটিভ- কে দিবে।
৪ .কোয়ালিটি এক্সিকিউটিভ সেই সাইজ সেট বায়ারের এপ্রোভ স্যাম্পল ও সর্বশেষ কমেন্টস-এর সাথে মিলিয়ে চেক করবে, যদি সাইজ সেট ঠিক থাকে তবে সেখান থেকে ১ পিছ গার্মেন্টস ডমেস্টিক টেস্ট করার জন্য দিবে।
৫. ডমেস্টিক রিপোর্ট পাস থাকলে সাইজ সেট রিপোর্ট সহ পি.এম-কে পি.পি. মিটিং করার জন্য বলবে।
৬. যদি সাইজ সেট রিজেক্ট হয়, তাহলে কমেন্টস সহ পি.এম এবং কোয়ালিটি ইনচার্জ-কে ইনফর্ম করতে হবে। তারা কমেন্টস ও রিপোর্ট অনুযায়ী রেক্টিফাই করে পুনঃরায় সাইজ সেট বানিয়ে দিবে।
৭. শুধুমাত্র পি.পি মিটিং-এ ডিসকাশন করা সাইজ-সেট ও কালার দিয়ে প্রোডাকশন শুরু করা যাবে।
৮. অন্যান্য কালারের প্রোডাকশন শুরু করার আগে কালার ওয়াইজ সাইজ সেট কমপ্লিট করে এপ্রোভাল নিয়ে প্রোডাকশন শুরু করতে হবে।
৯. প্রোডাকশন ম্যানেজার নিজ দায়িত্বে সেকশন সুপারভাইজার ও ইনচার্জ- কে দিয়ে প্রোডাকশন সাইজ-সেট সম্পন্ন করাবে এবং কিউ.সি- প্রত্যেক সেকশনে ফলোও-আপ করবে, পাশাপাশি টেকনিক্যাল/কোয়ালিটি পয়েন্টগুলো নোট রাখবে।
১০. পি.পি মিটিং-এ উপস্থিত থাকবেন যথাক্রমেঃ কিউ.সি নিটিং লিঙ্কিং ও সাইজ সেট, সকল সেকশনের ইনচার্জগণ, ডিজাইনার, কোয়ালিটি ইনচার্জ, ইয়ার্ণ কন্ট্রোলার, কোয়ালিটি এক্সিকিউটিভ, মার্চেন্ডাইজার, পি.এম , টি.এম, ও.পি.এম এবং কোয়ালিটি বিভাগের প্রধান।
যথাক্রমে আলোচনা করবেনঃ
স্টাইল ড্রেসক্রিপশন সম্পর্কে – ও.পি.এম/প্রোডাকশন ম্যানেজার।
ইয়ার্ণ ও এক্সেসোরিস সম্পর্কে – ইয়ার্ণ কন্ট্রোলার/ মার্চেন্ডাইজার ।
স্টাইল, ডিজাইন সম্পর্কে – স্যাম্পল ডিজাইনার।
কোয়ালিটি পয়েন্ট সম্পর্কে – কিউ.সি/টি.এম/কোয়ালিটি এক্সিকিউটিভ/কোয়ালিটি হেড।
বিশেষ অপারেশন সম্পর্কে – সেকশন ইনচার্জগন।
আয়রনিং, ফোল্ডিং এবং প্যাকিং – সেকশন ইনচার্জ/প্রোডাকশন ম্যানেজার।
টেকনিক্যাল প্রধান/পি,এম - পি.পি. মিটিং পরিচালনা করবেন।
SOP - 2 (ডমেস্টিক/স্রিঙ্ক্যাজ টেস্ট - Domestic/Shrinkage Test)
উদ্দেশ্য ও সুবিধাঃ
ফ্যাক্টরির উৎপাদিত গার্মেন্টস সমূহ কাস্টমার ব্যবহার পরবর্তী ওয়াশের টলারেন্স ঠিক রাখার লক্ষ্যে ডমেস্টিক/স্রিঙ্ক্যাজ টেস্ট করার জন্য নির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি নির্ধারন করেছে যা ফ্যাক্টরি সমূহের গুনগত মান সম্পন্ন গার্মেন্টস উৎপাদনের যথার্থতা প্রমান করে।
দায়বদ্ধতাঃ
এই প্রসিডিউর বাস্তবায়ন ও বজায় রাখার জন্য দায়বদ্ধ থাকবেন যথাক্রমেঃ টেকনিক্যাল বিভাগ, প্রোডাকশন বিভাগ, কোয়ালিটি বিভাগ ও ওয়াশিং/ল্যাব সেকশন-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ।
কার্যপ্রনালীঃ
১. কালার ওয়াইজ সাইজ সেট স্যাম্পল রিসিভ করার পর গার্মেন্টস ওয়াশে আগে বায়ার রিকোয়ারমেন্ট পয়েন্ট অনুযায়ী ম্যাজারমেন্ট করে রেকর্ড রাখতে হবে।
২. বায়ার এপ্রোভ রেসিপি অনুযায়ী ওয়াশ করে ম্যাজারমেন্ট করে রেকর্ড রাখতে হবে।
৩. আয়রনের এপ্রোভ প্যাটার্ন বোর্ড দিয়ে আয়রন করে ম্যাজারমেন্ট করে রেকর্ড সংরক্ষণ করে ডমেস্টিক ওয়াশ টেস্ট-এর জন্য ল্যাব-এ পাঠাতে হবে।
৪. কেয়ার লেবেল ইন্সট্রাকশন/নির্দেশনা অনুযায়ী গার্মেন্টস পুনঃরায় ডমেস্টিক টেস্ট-এর জন্য ওয়াশ করতে হবে।
৫. বায়ার রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী সকল ম্যাজারমেন্ট পয়েন্ট চেক করে গার্মেন্টস স্রিঙ্ক্যাজ রিপোর্ট করতে হবে এবং যদি কোন সমস্যা পাওয়া যায় টেকনিক্যাল ম্যানেজার ও কোয়ালিটি হেড-এর সাথে পরামর্শ করে ম্যাজারমেন্ট প্লাস/মাইনাস পয়েন্ট গুলোতে নিটিং চার্ট ঠিক করতে হবে।
৬. সিঙ্ক্যাজ পার্সেন্টেজ (%) টলারেন্সের মধ্যে নিয়ে আসার পর পি.পি মিটিং করে টি.এম/ও.পি.এম এর কাছ থেকে বাল্ক প্রোডাকশনের জন্য এপ্রোভাল নিতে হবে।
৭. প্রোডাকশন শুরু করার পর রেনডম কালার ওয়াইজ ডমেস্টিক টেস্ট করে স্রিঙ্ক্যাজ পার্সেন্টেজ (%) টলারেন্সের মধ্যে আছে তা নিশ্চিত করতে হবে।
SOP- 3 (পাইলট টেস্ট রান – Pilot Test-Run)
উদ্দেশ্য ও সুবিধাঃ
ফ্যাক্টরির পণ্য উৎপাদনের প্রাথমিক পর্যায়ে ত্রুটি সনাক্ত করে সমাধানের মাধ্যমে পণ্যের গুনগত মান ঠিক রাখার জন্য সকল পণ্য বাল্ক প্রোডাকশনে যাওয়ার পূর্বে “পাইলট টেস্ট রান” পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করেছে। যা ফ্যাক্টরি সমূহের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উৎপাদিত পণ্যের গুনগত মান নিশ্চিত করার জন্য নিয়োজিত সকল কর্মীর কাজকে সহজ ও গতিশীল করবে।
দায়বদ্ধতাঃ
এই প্রসিডিউর বাস্তবায়ন ও বজায় রাখার জন্য দায়বদ্ধ থাকবেন যথাক্রমেঃ এ.পি.এম, কোয়ালিটি ইনচার্জ, কিউ.এ.ই এবং পি.এম।
কার্যপ্রনালীঃ
১. পি.পি. মিটিং-এ গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য পাইলট টেস্ট রান করতে হবে।
২. ফ্যাক্টরির বাল্ক প্রোডাকশন পুর্ববর্তী পাইলট টেস্ট রান স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী (৫০০০ পিছের নিচে হলে প্রত্যেক কালার এবং সাইজ এর ৬ পিছ থেকে ১২ পিছ, ৫০০১ থেকে ১০০০০ পিছের মধ্যে হলে ১২ পিছ থেকে ২৪ পিছ, এবং ১০০০১ পিছের উপরে হলে প্রত্যেক কালার এবং সাইজ মিলিয়ে মিনিমাম ২০০ পিছ) গার্মেন্টস তৈরি করার জন্য পাইলট টেস্ট কোয়ান্টিটি “পি.পি মিটিং ফরমেট -এ উল্লেখ করতে হবে।
৩. পি.পি মিটিং ফরমেট -এ উল্লেখ্য করা কোয়ান্টিটির গার্মেন্টস নিটিং, লিঙ্কিং এবং ফিনিশিং এর প্রোডাকশন টিম পাইলট টেস্ট রান করার সময় সেকশন কিউ.সি সকল টেকনিক্যাল এবং কোয়ালিটি পয়েন্ট চেক করে সমস্যা গুলো নোট করবে।
৪. পাইলট টেস্ট রান কম্পিলিট করে সেই গার্মেন্টস গুলো ফ্লোর কোয়ালিটি টিম চেক করবে এবং রিপোর্ট করে ফ্লোরের দায়িত্ব প্রাপ্ত কোয়ালিটি ইনচার্জ ও স্টাইলের দায়িত্ব প্রাপ্ত কিউ.এ.এক্সিকিউটিভ-কে দিবে।
৫. কোয়ালিটি ইনচার্জ ও কিউ.এ.এক্সিকিউটিভ পাইলট টেস্ট করা গার্মেন্টস ও রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করতে হবে যে, পি.পি মিটিং-এ গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহের সঠিক বাস্তবায়ন হয়েছে।
৬. পাইলট টেস্ট রান- চলাকালীন প্রত্যেক সেকশন- এর টেকনিক্যাল, কোয়ালিটি এবং প্রোডাকশন- এর সকল সমস্যা সমাধানের জন্য পাইলট রান মিটিং করে সমস্যা সমাধান করে, অতঃপর বাল্ক প্রোডাকশন শুরু করতে হবে।


Comments
Post a Comment